।। যা দেবী সর্বভূতেষু মাতৃরূপেণ সংস্থিতা ।।
মহালয়া ও শারদোৎসব
দেবী আবাহনের পুণ্য প্রভাতে • মহিষাসুরমর্দিনী
মহিষাসুরমর্দিনী সম্প্রচার মঞ্চ
কাউন্টডাউন শূন্যে পৌঁছানোর সাথে সাথে ভিডিওটি এখানে সরাসরি চলতে শুরু করবে
।। যা দেবী সর্বভূতেষু মাতৃরূপেণ সংস্থিতা ।।
দেবী আবাহনের পুণ্য প্রভাতে • মহিষাসুরমর্দিনী
মহিষাসুরমর্দিনী সম্প্রচার মঞ্চ
কাউন্টডাউন শূন্যে পৌঁছানোর সাথে সাথে ভিডিওটি এখানে সরাসরি চলতে শুরু করবে
১৯৩১ সাল থেকে শুরু হওয়া এক অবিস্মরণীয় মহাকাব্য। বাণীকুমারের রচনা ও গ্রন্থনা, পঙ্কজ কুমার মল্লিকের অমর সঙ্গীত পরিচালনা এবং বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠ ও উদাত্ত কণ্ঠস্বরে রচিত হয়েছে বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ ভোর। আকাশবাণীর সেই নস্টালজিক সুর আজও প্রতিটি বাঙালির ঘরে মা দুর্গার আগমনের বার্তা বয়ে আনে।
মহালয়ার পুণ্য প্রভাত থেকে বিজয়ার সিঁদুর খেলা — দেবীপক্ষের দিনক্ষণ ও পূজার মহিমা
দেবীপক্ষের পুণ্য সূচনা, তর্পণ এবং ভোর ৪টায় আকাশবাণীতে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠ ও মহিষাসুরমর্দিনী।
বোধনে দেবীর আবাহন, আমন্ত্রণ ও অধিবাস। শুরু কলকাতার সর্বজনীন উৎসবের মহারং।
নবপত্রিকা স্নান ও প্রবেশ (কলাবউ স্নান), মহাশক্তির প্রাণপ্রতিষ্ঠা ও মহাসপ্তমী বিহিত পূজা।
কুমারী পূজা ও মহা সন্ধিপূজা। ১০৮টি পদ্ম ও ১০৮টি প্রদীপে দেবীর চামুণ্ডা রূপের আরাধনা।
নবমী হোম, মহাযজ্ঞ, ধুনুচি নাচ ও অঞ্জলি। ঢাকের তালে কলকাতার প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে জনসমুদ্র।
দর্পণ বিসর্জন, সিঁদুর খেলা ও শুভ বিজয়া। মিষ্টিমুখ ও অশ্রুসজল চোখে দেবীকে বিদায় সম্ভাষণ।